জোর করে বিয়ে দেয়ার কথা বলার জন্য ৯ জনকে আইন [মামলা] এর হুমকি

জোর করে বিয়ে দেয়ার শাস্তিঃ জোর করে বিয়ে দেয়ার কথা বলার জন্য ৯ জনকে আইনের আওতায়  নেয়ার [মামলার] হুমকি দিল এক কিশোর। বিয়ে সবাই করতে চাই কিন্ত কেউ কোনো প্রকার প্রস্ততি ছাড়ায় আবার কেউ বা জীবনের একটি পর্জায়ে গিয়ে। কারো জীবনে সপ্ন থাকে যে সে অনেক বড় হবে। তেমনই একজন কিশোর সপ্ন যে সে জীবনে বড় কিছু করবে। কিন্ত সে সপ্ন কত দূর যাবে তা সে জানে না।

তার সপ্ন ভাঙতে দুষ্কৃতীর নজর পড়ল তার উপর এখন তার সপ্নের টান টান অবস্থা। এজন্য তিনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করে তার এই ঘটনাকে বিশ্ব বাসীর কাছে তুলে ধরতে। যেন তার সাথে জেটা হচ্ছে অন্য ছেলের সাথে জেন না হয়। এজন্য সে তার নিকটস্থ থানাইও সে যোগাযোগ করেছে। তারা তাকে বলেছে যদি কোণো প্রকার জোর জবরদস্তি করে থাকে তাহলে তারা এর ব্যবস্থা নিবেন।

তার বয়স ২১ বছর। একজন ছেলের নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলার সবচেয়ে বড় সময় এখন। কিন্ত আমাদের দেশে একজন ছেলের পড়ালেখা শেষ করতে এবং চাকরি করে ক্যারিয়ার গড়তে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ বছর সময় লেগে জায়।

তাহলে এই ২১ বছরের ছেলের বিষয়ে আপনারা কি বক্তব্য দিবেন। সে কি প্রস্তুত তার বৈবাহিক জীবনের জন্য?

জোর করে বিয়ে দেয়ার শাস্তি আইন

১৯৬৯ সালে সিয়েরা লিওনের আপিল বিভাগের বিশেষ আদালত যুদ্ধের সময় জোরপূর্বক বিবাহের জন্য নারীদের অপহরণ এবং আটকে রাখাকে একটি নতুন মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে অভিহিত করে। তাহলে পুরূষের ক্ষেত্রে এটি একটি মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে অভিহিত করা যাই কি? মানবতাবিরোধী অপরাধে যে কোণো ব্যক্তির যে কোনো সময় মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।

ইসলামে জোরপূর্বক বিবাহ:-

ইসলামে জোরপূর্বক বিবাহকে নিষেধ করা হইয়েছে। সহি বুখারী, মুসলিম, মিশকাত শরিফের হা / ৩১২৬ অনুসারে বিবাহের চারটি শর্তের কথা বলা হইয়েছে তা হল,

  • * পরস্পর বিবাহ বৈধ এমন পাত্র পাত্রী নির্বাচন করা।
  • * পাত্র – পাত্রী উভয়ের সম্মতি নেয়া।
  • * মেয়ের ওলী থাকা।
  • * দুজন ন্যায়নিষ্ঠ সাক্ষী থাকা। বর্ণিত চারটি শর্তের কোনোএক শর্ত যদি মানা না হয় তবে বিয়ে শুদ্ধ হবেনা।

[ আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/ ৩১৩১] ।

আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।