জ্বালানি তেলের দাম ২০২২ || হঠাৎ তেলের দাম বৃদ্ধির কারণ?

জ্বালানি তেলের দাম ২০২২
জ্বালানি তেলের দাম ২০২২

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন আমরা আগে থেকেই বারবার বলে আসছি আমাদের বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। এখন আমাদের পিঠ ঠেকে গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। তিনি বলেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ব্যাপক লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখনো সময় আছে প্রয়োজনে আমরা যত্রতত্র ডিজেল ব্যবহার না করে একটু ধৈর্য ধরতেই হবে।

এটি ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না, তিনি আরও বলেন আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কলকাতায় প্রতি লিটার ডিজেলের মূল্য ১১৪ টাকা, জেটি ৯৪ টাকা করে ডলার হয়। এখন ডলারের দাম আরও বেড়ে গেছে সেখানে আমরা ডিজেল বিক্রি করেছি ৮০ টাকায় এই বিরাট ব্যবধানের কারণে বিশাল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে পাচার হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। আমরা বিজিবিকে সীমান্তে কড়া পাহারা বসানোর কথা বলেছি। 

আরো পড়ুনঃ

আমি বারবার বলেছি আপনারা তেলেরব ব্যবহার কম করেন, গাড়ি কম ব্যবহার করেন, কারণ যানবাহন সেক্টরের সবচেয়ে বেশি ডিজে ব্যবহার করা হয়। মাত্র ১০ শতাংশ তেল ব্যবহার করা হতো বিদ্যুতে। আমি মনে করি এখনো যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করার সময় আছে। হামিদ বলেন আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১০  শতাংশ ব্যবহার হয়, সবচেয়ে বেশি ব্যবহার পরিবহন খাতের। এজন্য সবাইকে বলি আপনারা যত সম্ভব কম ব্যবহার করেন।

জ্বালানি তেলের দাম ২০২২
জ্বালানি তেলের দাম ২০২২

জ্বালানি তেলের দাম ২০২২

মধ্যরাতে হঠাৎ করে বাংলাদেশের সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ৪২ থেকে ৫২ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটার প্রতি টাকা ৮০ টাকা  থেকে ১১৪  টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ এই দাম বৃদ্ধির হার প্রায় ৪২ শতাংশ।

 লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম ৮৬  টাকা থেকে ১৩০ টাকা করা হয়েছে। অকটেনের দাম বেড়েছে ৮৯ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা অর্থাৎ পেট্রোলের মূল্য বৃদ্ধির হার ৫০ শতাংশের বেশি। শুক্রবার রাত বারোটার পর থেকে এটি কার্যকর হয়েছে।

এক ব্যারেল তেলের দাম কত?

মধ্যরাতে হঠাৎ করে বাংলাদেশের সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ৪২ থেকে ৫২ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সুতরং, এখন এক ব্যারেল ডিজেলের দাম ১২৭২০ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১৮,১২৬ টাকা।

তেলের দাম বৃদ্ধির কারণ কি?

তেলের দাম বৃদ্ধির কারণ বৈশ্বিক মহামারী। বিশ্ববাজারে যদি তেলের দাম হঠাৎ বৃদ্ধি করা হয়। তাহলে অন্যথায় অন্যান্য দেশের সরকারও তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়। এর কারণ সকলেই বৈশ্বিক বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চাই। আরো কারণ সবকিছু আমদানি এবং রপ্তানি এর উপর নির্ভরশীল। 

সহজভাবে বলতে গেলে, আপনি যদি কোন পণ্য বা তেল কিনতে চান বিশ্ব বাজার বা অন্য দেশ থেকে। সেখানে যদি দুই টাকা বৃদ্ধি করে তাহলে আপনাকে এর মূল্য ২ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হবে। আপনি যখন ওই পণ্যটি নিজের দেশে বিক্রি করবেন তখন আপনাকে তার মূল্য তিন টাকা অর্থাৎ এক টাকা বৃদ্ধি করে বিক্রি করতে হবে।

হঠাৎ করে পৃথিবীতে যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বৈশ্বিক মহামারীর কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বা পণ্যের দাম বৃদ্ধি করানো হয়। এর ফলে সকল দেশেই পণ্যের দাম বা তেলের দাম বৃদ্ধি হয়। 

আপনার কোন তথ্য থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ!